ঝাল কোরিয়ান নুডলস তুমসে রামেন বালগেতক রিভিউ: শিনরামেনের ৩ গুণ ঝাল, তবু কেন বারবার খেতে ইচ্ছে করে?
১. মার্টে এটা খুঁজে পাওয়ার মুহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম! আমি Hi-JSB।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আজকে যে কোরিয়ান রামেনের রিভিউ দেব সেটি কোরিয়ার খাদ্য সংস্কৃতির একটি অংশ। এতে শূকরের মাংস এবং গরুর মাংসের উপাদান আছে, তাই যারা হালাল খাবার খান বা নিরামিষভোজী তাদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়। এই রিভিউটি কোরিয়ান খাবার সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার জন্য তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে লেখা।
আপনারা কি ঝাল খাবার পছন্দ করেন? আমি সত্যি বলতে ঝাল ছাড়া খেতেই পারি না। কিমচি জজিগে (কোরিয়ান ফারমেন্টেড বাঁধাকপির ঝোল) তে চেওংইয়াং মরিচ না দিলে মন ভরে না, আর তকবক্কি (কোরিয়ান চালের কেকের ঝাল সস) তো অবশ্যই ঝাল অর্ডার করি – বাংলাদেশে যেমন আমরা ভর্তা-ভাজিতে কাঁচা মরিচ না দিলে খেতে পারি না, ঠিক সেরকম। তাই আজ আমার সত্যিকারের প্রিয় একটা রামেন নিয়ে কথা বলব। এটা হলো পালদো তুমসে রামেন বালগেতক।
কয়েকদিন আগে মার্টে কেনাকাটা করতে গিয়ে নুডলসের সেকশনে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ এই লাল প্যাকেজটা চোখে পড়ল। "তীব্র ও সুস্বাদু ঝাল!", "মেপবুশিম বালগেতক" (ঝালের গর্ব) লেখা দেখে মনে হলো 'আরে এটা তো সেই বিখ্যাত তুমসে রামেন!'
তুমসে রামেনের নাম অনেক শুনেছি, কিন্তু আসলে এতদিন খাওয়া হয়নি। শিনরামেন বা বুলদাক বক্কেউমিয়ন (ফায়ার চিকেন নুডলস) তো অনেকবার খেয়েছি, কিন্তু এটা কেন খাইনি? ভেবে সাথে সাথে কার্টে রেখে দিলাম।
৫টির মাল্টিপ্যাক কিনলাম। পাশে দেখলাম স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ভিতরে পাঁচটা রামেন প্যাকেট আছে। প্রতিটা ১২০ গ্রাম, মানে মোট ৬০০ গ্রাম। প্রথমে একটা খেয়ে দেখি, ভালো লাগলে বাকিগুলোও খাব, না হলে... কী আর করা।
২. প্যাকেজ খুলে দেখি
বাসায় এসে একটা বের করলাম। একক প্যাকেটেও একইভাবে লাল ব্যাকগ্রাউন্ডে আগুনের ক্যারেক্টার আঁকা, আর "since 1981" লেখা। ১৯৮১ সাল মানে আমার জন্মেরও অনেক আগে, এই রামেন এত পুরনো ছিল?
কৌতূহল হওয়ায় খুঁজে দেখলাম, সত্যিই এর একটা ইতিহাস আছে। ১৯৮১ সালে সিউলের মিয়ংডং (বিখ্যাত শপিং এরিয়া, অনেকটা ঢাকার নিউমার্কেটের মতো জমজমাট) এ কিম বকহিয়ন নামে এক ব্যক্তি বিল্ডিংগুলোর মাঝের সরু গলিতে একটা রামেনের দোকান খোলেন। সেখানে যে রামেন বিক্রি হতো সেটা এত ঝাল ছিল যে বিখ্যাত হয়ে গেল, আর সেটাই হলো "তুমসে রামেন" (গলির রামেন)। "বালগেতক" মানে হলো লাল (বাল), ডিম (গে), আর রাইস কেক (তক) – কারণ এটা ডিম আর রাইস কেক দিয়ে খাওয়া হয়। পরে পালদো কোম্পানি এই স্বাদ ইনস্ট্যান্ট নুডলসে নিয়ে আসে যেটা এখন আমরা মার্টে কিনতে পারি।
আর প্যাকেজে আঁকা রেডি ফটোটা দেখুন। লাল ঝোলে ডিম আর পেঁয়াজ পাতা দেওয়া – দেখলেই জিভে পানি আসে না? আমি এটা দেখে ভাবলাম 'তাড়াতাড়ি রান্না করতে হবে'।
৩. রান্নার আগে নির্দেশনা দেখি
পেছনে রান্নার নির্দেশনা লেখা আছে, একবার পড়ে নিলাম।
৫০০ মিলি পানি ফুটিয়ে নুডলস, পাউডার মশলা এবং শুকনো সবজি দিয়ে প্রায় ৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ফুটালে সুস্বাদু হয়।
কিন্তু নিচে একটা টিপস আছে। ডিম আর রাইস কেক দিলে আসল বালগেতক ফিলিং আসে। নাম যেহেতু বালগেতক, তাই রাইস কেক আর ডিম দিয়ে খাওয়াটাই আসল পদ্ধতি। পরের বার রাইস কেক দিয়ে খেয়ে দেখব।
আর সতর্কতায় লেখা "সোডিয়াম গ্রহণ নিয়ন্ত্রণের জন্য মশলার পরিমাণ কমাতে পারেন"। আমি অবশ্যই পুরোটাই দেব। ঝাল খাওয়ার জন্যই কিনেছি, মশলা কেন বাদ দেব?
৪. পুষ্টি তথ্য
যারা ডায়েটে আছেন তারা দেখে নিন।
| পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ | দৈনিক মানের শতাংশ |
|---|---|---|
| ক্যালরি | ৫০০ কিলোক্যালরি | - |
| সোডিয়াম | ১,৬৯০ মিলিগ্রাম | ৮৫% |
| কার্বোহাইড্রেট | ৭৯ গ্রাম | ২৪% |
| চিনি | - | ৪% |
| চর্বি | ১৬ গ্রাম | ৩০% |
| ট্রান্স ফ্যাট | ০ গ্রাম | - |
| স্যাচুরেটেড ফ্যাট | ৭ গ্রাম | ৪৭% |
| কোলেস্টেরল | ২ মিলিগ্রাম | ১% |
| প্রোটিন | ১০ গ্রাম | ১৮% |
এক প্যাকেটে ৫০০ কিলোক্যালরি। কোরিয়ান রামেন আসলে স্ন্যাক্স না – এটা ভাতের বদলে এক বেলার খাবার হিসেবে বানানো, তাই এক বেলার জন্য এই পরিমাণ ঠিকই আছে। তবে সোডিয়াম দৈনিক চাহিদার ৮৫%, তাই পুরো ঝোল খেলে একটু লবণাক্ত লাগবে। কিন্তু আমি পুরোটাই খেয়েছি। কারণ মজা ছিল।
৫. যাদের অ্যালার্জি আছে
৫.১ উপকরণ
নুডলস গমের আটা, পাম তেল, আলুর স্টার্চ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি। মশলায় আছে মরিচের গুঁড়া, শুকনো পেঁয়াজ পাতা, মেরিনেটেড গরুর মাংসের পাউডার, হাড়ের ঝোলের পাউডার ইত্যাদি। ঝালের রহস্য হলো ভিয়েতনামের হানুলচো (স্কাই পেপার) মরিচ – এটা নিয়ে পরে বিস্তারিত বলব।
৫.২ অ্যালার্জেন
এই পণ্যে আছে: ডিম, দুধ, সয়া, গম, শূকরের মাংস এবং গরুর মাংস।
যাদের অ্যালার্জি আছে অবশ্যই দেখে নেবেন।
৫.৩ ধর্মীয় ও খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা
গুরুত্বপূর্ণ: এই পণ্যে শূকরের মাংস এবং গরুর মাংসের উপাদান আছে, তাই এটি হালাল সার্টিফাইড নয়। মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্যও গরুর মাংসের কারণে এটি খাওয়া সম্ভব নয়, এবং নিরামিষভোজীরাও এটি খেতে পারবেন না। এই তথ্যগুলো জানানো হলো যাতে সবাই নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
৫.৪ প্রস্তুতকারক তথ্য
প্রস্তুতকারক পালদো, ফ্যাক্টরি দক্ষিণ কোরিয়ার ইচেওন এবং নাজু তে অবস্থিত। প্রশ্ন থাকলে 1577-8593 (দক্ষিণ কোরিয়া) নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
৬. প্যাকেট খুলে ভিতরে কী আছে
প্যাকেট খুললে একটা নুডলস ব্লক আর দুইটা মশলার প্যাকেট বের হলো। একটা পাউডার মশলা, একটা শুকনো সবজি।
৬.১ পাউডার মশলা
রূপালি রঙের প্যাকেটটা পাউডার মশলা। এখান থেকেই সেই ঝাল আসে। প্যাকেটে লেখা "সোডিয়াম গ্রহণ নিয়ন্ত্রণের জন্য পছন্দমতো মশলার পরিমাণ দিন"। আগেও বললাম, আমি সবসময় পুরোটাই দিই।
৬.২ শুকনো সবজি
সাদা প্যাকেটটা শুকনো সবজি। "ঝালের গর্ব! মেপবুশিম" লেখা আছে। ভিতরে পেঁয়াজ পাতা আর বক চয় জাতীয় সবজি আছে।
৭. এবার সত্যিই রান্না করি
আজ আমি হাঁড়ির বদলে মাইক্রোওয়েভের পাত্রে রান্না করলাম। একা খাওয়ার সময় এটা বাসন ধোয়াও সহজ এবং সুবিধাজনক।
৭.১ প্রথমে সব উপকরণ দিই
পাত্রে নুডলস দিয়ে উপরে পাউডার মশলা আর শুকনো সবজি ছড়িয়ে দিলাম। মশলা ছড়ানোর সাথে সাথেই ঝালের গন্ধ উঠতে লাগল। মনে হলো 'এটা সত্যিই ঝাল হবে'।
৭.২ পানি ঢালি
ওয়াটার ডিসপেন্সার (পানির ফিল্টার) থেকে গরম পানি নিয়ে ঢাললাম। গরম পানি দিলে মাইক্রোওয়েভের সময় কমানো যায়।
মাইক্রোওয়েভ রান্নার টিপস
গরম পানি দিলে: প্রায় ৩ মিনিট
ঠান্ডা পানি দিলে: প্রায় ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
৭.৩ মাইক্রোওয়েভে দিয়ে অপেক্ষা
পানি ঢেলে মাইক্রোওয়েভে দিলাম। গরম পানি দিয়েছি বলে ৩ মিনিটই চালালাম। অপেক্ষার সময় মাইক্রোওয়েভের ভিতরে লাল ঝোল বুদবুদ করে ফুটতে দেখলাম। এখন থেকেই ঝালের গন্ধ বের হচ্ছে।
৭.৪ অবশেষে রেডি
মাইক্রোওয়েভ থেকে বের করার সাথে সাথে ঝালের গন্ধ ঠাস করে নাকে এসে লাগল। সত্যিই নাক জ্বালা করছিল। প্রথমে দেখলাম – ঝোলের রং সত্যিই লাল। শুধু লাল না, 'এটা ঝাল হবে' বলে মনে হওয়া সেই ধরনের লাল। নুডলস এখনও পুরোপুরি আলাদা হয়নি, কোঁকড়া অবস্থায় আছে, আর উপরে পেঁয়াজ পাতা আর বক চয় ভাসছে।
কাছ থেকে দেখলে মরিচের গুঁড়ার কণা ঝোলের উপর ভাসছে, আর তেল চকচক করছে। পেঁয়াজ পাতার টুকরাও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে এত খেতে ইচ্ছে করছিল যে ছবি তোলাও তাড়াহুড়ো করে শেষ করলাম।
৮. অবশেষে এক কামড়, সৎ স্বাদ রিভিউ
৮.১ প্রথম কামড়ে যা অনুভব করলাম
চপস্টিক দিয়ে নুডলস ঘুরিয়ে এক গোছা তুললাম। লাল ঝোল নুডলস থেকে টপটপ করে পড়ছিল, আর তখন থেকেই মুখে লালা জমতে শুরু করল। ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করে এক কামড় দিলাম...
আহ।
এটা সত্যিই ঝাল।
কিন্তু শুধু ঝালই না। কীভাবে বলব... ঝাল কিন্তু মজাদার। কৃত্রিমভাবে ক্যাপসাইসিন ঢেলে দেওয়া সেই কৃত্রিম ঝাল না, মরিচের নিজস্ব স্বাদ আসছে এমন ঝাল। খেতে খেতে 'আহ ঝাল ঝাল' বলছি কিন্তু চপস্টিক থামছে না।
৮.২ এই ঝালের রহস্য, ভিয়েতনামের হানুলচো মরিচ
পরে খুঁজে দেখলাম তুমসে রামেনের ঝালের রহস্য হলো ভিয়েতনামের হানুলচো (স্কাই পেপার) মরিচ। এই মরিচ সাধারণ মরিচের চেয়ে বেশি ঝাল কিন্তু স্বাদ পরিষ্কার। তাই খাওয়ার সময় ঝাঁজ লাগে কিন্তু শেষ স্বাদ পরিচ্ছন্ন।
স্কোভিল স্কেলে তুমসে রামেন প্রায় ৯,৪১৩ SHU (স্কোভিল হিট ইউনিট – মরিচের ঝাল মাপার একক)। শিনরামেন ৩,৪০০ SHU, মানে প্রায় তিনগুণ ঝাল। কোরিয়ার চেওংইয়াং মরিচ ৪,০০০-১২,০০০ SHU, বাংলাদেশের নাগা মরিচ প্রায় ১,০০০,০০০ SHU এর বেশি হতে পারে – তুলনায় এটা সহনীয় পর্যায়ে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সংখ্যায় অনেক ঝাল মনে হলেও খাওয়ার সময় সেই ঝাল অস্বস্তিকর লাগে না। মরিচের নিজস্ব সুগন্ধের সাথে আসে বলে বরং মজাদার লাগে।
৮.৩ ঝোলের স্বাদ কেমন
শুধু ঝালই না, ঝোলে গভীর স্বাদ আছে। গরুর মাংসের স্টু আর হাড়ের ঝোলের পাউডার দেওয়া আছে বলে সুগন্ধি আর গাঢ় স্বাদ আসে। তাই শুধু ঝাল রামেনের চেয়ে এটা অন্য লেভেলে। ঝালের মাঝে মাঝে উমামি (সুস্বাদু গন্ধ) অনুভব হয়।
আমি প্রায় পুরো ঝোলই খেয়ে ফেলেছি। সোডিয়াম বেশি জানি কিন্তু... মজা হলে সব মাফ না?
৮.৪ নুডলস কেমন ছিল
নুডলসে পালদোর বিশেষ চিবানো টেক্সচার আছে। ঝোল ভালোভাবে শুষে নেয় আর চিবাতেও মজা। মাইক্রোওয়েভে রান্না করায় একটু নরম হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু ভাবার চেয়ে ভালো ছিল। অবশ্যই হাঁড়িতে রান্না করলে আরও চিবানো হতো, কিন্তু একা সহজে খাওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট।
৮.৫ পরিমাণ কেমন
এক প্যাকেট পুরো খেয়ে পেট ঠিকমতো ভরে গেল। কোরিয়ান রামেন আসলে স্ন্যাক্স না – এক বেলার খাবার হিসেবে বানানো, তাই দুপুর বা রাতের এক বেলার জন্য এই পরিমাণ যথেষ্ট। আমি এটা দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে ফেললাম।
৯. খাওয়ার পর অনুভূতি
প্রথমত কপালে ঘাম জমে গেল। নাকও একটু পানি পড়ল। ঠোঁটও ঝিমঝিম করছিল। কিন্তু ঝাল খাবার খাওয়ার সেই আনন্দ আছে না? কষ্ট হচ্ছে কিন্তু মনে ভালো লাগছে সেই অনুভূতি। ঠিক সেটাই।
পুরোটা খেয়ে 'আহ মজা ছিল' বলে ঝোল থেকে আরেক চুমুক খেলাম। ঝাল পছন্দ করেন যারা তারা এই অনুভূতি বুঝবেন। ঝাল বলে গালি দিচ্ছি কিন্তু আবার খাচ্ছি সেটা।
১০. তাহলে সিদ্ধান্ত কী
তুমসে রামেন বালগেতক, এটা সত্যিই আমার প্রিয় রামেনের তালিকায় জায়গা করে নিল। এখন থেকে নুডলসের সেকশনে গেলে অবশ্যই এটা তুলব।
ঝাল খাবার পছন্দ করেন যারা, এটা জোরালোভাবে রিকমেন্ড করছি। শুধু ঝাল রামেন না – মজাদার ঝাল রামেন। ভিয়েতনামের হানুলচো মরিচের সেই পরিষ্কার ঝাল স্বাদ সত্যিই আসক্তিকর।
তবে ঝাল সহ্য করতে পারেন না যারা তারা সাবধান। সত্যিই ঝাল। প্রথমবার যারা খাবেন তারা মশলার পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু আমার মতো ঝাল পছন্দ করলে অবশ্যই পুরোটা দেবেন। সেটাই মজাদার।
আর পরের বার প্যাকেজে লেখা মতো ডিম আর রাইস কেক দিয়ে রান্না করব। নাম যেহেতু বালগেতক, ঠিকমতো বালগেতক হিসেবে খেতে হবে।
আজকের রিভিউ কাজে লাগলে ভালো লাগবে। পরে আরেকটা মজার জিনিস নিয়ে আসব!
এই লেখাটি https://hi-jsb.blog এ প্রকাশিত কনটেন্ট।